স্বামী স্ত্রী পর্ব ৩

husband-wife-bangla-jokes-part-3


১) স্ত্রী : ট্রেন তো রাত দশটায়। বিকেল পাঁচটায় আমাদের সবাইকে ষ্টেশনে আনার মানে কী?
স্বামী : ষ্টেশনে আগে না এলে কী কী জিনিস বাড়িতে ফেলে এসেছি, তা তো মনে পড়বে না।

২) ট্রেন ফেল করে স্টেশনে বসে আছে স্বামী-স্ত্রী।
স্বামী : আসার সময় তুমি যদি সাজগোজে এত দেরি না করতে, তা হলে এ ট্রেনটা মিস করতে হত না।
স্ত্রী : তুমিও যদি এ ট্রেনটা ধরবার জন্য এত তাড়াহুড়া না করে আসতে, তা হলে পরের ট্রেনের জন্য এতক্ষণ বসে থাকতে হত না।

৩) স্বামীকে খাইয়ে নববধু সলজ্জ কন্ঠে জানতে চাইল, এভাবে পুরোটা বছর যদি রোজ রোজ তোমাকে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াই তা হলে বিনিময়ে আমি কী পাওয়ার আশা করতে পারি?গম্ভীর মুখে স্বামী বলল, আমার জীবন বীমার সব টাকা।

৪) নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?
স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

৫) স্ত্রী : ওগো, দেখ, বাইরে থেকে একটা জুতো এসে ঘরে পড়ল।
স্বামী : তুমি গান চালিয়ে যাও, তা হলে এর জোড়াটাও এসে পড়বে

৬) নবদম্পতির মঝে ঝগড়া হয়েছে।
স্ত্রী : আমি বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছি।
স্বামী : এই নাও ভাড়া।
স্ত্রী : কত দিচ্ছ? এতে তো ফেরার ভাড়া হবে না।

৭) স্বামী : দেখ, তোমার ছেলে কী ভাবে কাঁদছে। সকাল থেকে বায়না ধরেছে গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে। গাধা আমি কোথায় পাব?
স্ত্রী : গাধার দরকার নেই। তোমার পিঠে চড়িয়ে ঘোরাও, দেখবে কান্না থেমে গেছে।

৮) স্বামী: ওগো শুনছ, সর্বনাশ হয়ে গেল।
স্ত্রী: কী হয়েছে?
স্বামী: আজ মাইনে নিয়ে অফিস থেকে বাড়ি আসার পথে দুই ছোকরা পিস্তল দেখিয়ে বলল, হয় টাকা দাও না হলে জান দাও।
স্ত্রী: আর তুমিও বোকার মতো টাকাটাই দিয়ে এলে!

৯) স্বামী: সম্মোহনবিদ্যা আবার কী গো?
শিক্ষিত স্ত্রী: সম্মোহনবিদ্যা জানলে দ্বিতীয় কোনো মানুষকে নিজের বশে রেখে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করানো যায়।
স্বামী: ওটা আবার সম্মোহনবিদ্যা নাকি? ওটা তো বিয়ে।

১০) স্বামী: তোমার জ্বালায় আর ভালো লাগে না। চললাম আমি নদীতে ঝাঁপ দিতে।
স্ত্রী: কিন্তু তুমি তো সাঁতার জান না।
স্বামী: রাগের সময় এসব মনে করিয়ে দাও কেন? স্ত্রী: বিয়ের আগে তুমি আমাকে উপহার দিতে, এখন আর দাও না কেন?
স্বামী: মাছ ধরার পরে কি জেলেরা মাছকে আর খাওয়ায়?

১১) স্ত্রী : ছিঃ ছিঃ তুমি আরেকজনের সঙ্গে প্রেম করছ ?
স্বামী : তুমিই না বললে বিয়ের পর প্রেম দ্বিগুণ করতে ।

১২) এক স্ত্রী তার স্বামীকে অভিযোগ করল, ‘তুমি মোটেই আমার আত্মীয়স্বজনকে পছন্দ কর না।’
স্বামী শুনে বললেন, ‘কে বলল! আমি তো তোমার শাশুড়িকে, আমার শাশুড়ির থেকেও বেশি পছন্দ করি।’

১৩) স্ত্রী : বুঝি না তুমি কেন সিগারেট ছাড়া থাকতে পার না? এটা খেতে যদি আসলেই এত ভালো হত, তাহলে আমি কেন খাই না?
স্বামী : কারণ ওটা খেতে হলে মুখ বন্ধ করতে হয়।

১৪) স্বামী-স্ত্রীর কথা হচ্ছে-
: আচ্ছা এভাবে যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকে, তাহলে আমরা কী করব ?
: সবাই যখন কষ্ট করে জিনিসপত্র কিনবে আমরা আরাম করে বসে বসে দেখব।

১৫) স্বামীর শার্টে লাল দাগ দেখে সন্দেহপ্রবণ স্ত্রী জানতে চাইল-
: শার্টে এটা কিসের দাগ?
: টমেটো সসের
: তা তো বুঝলাম। কিন্তু টমেটোটা কে ?

১৬) স্ত্রী : নববর্ষ পালন করতে পার্টিতে যাচ্ছ যাও। ‘ছাইপাশ’ গিলে এলে মজা বুঝাব।
স্বামী : ফিরে এসে সেই ‘ছাইপাঁশই তো’ গিলতে হবে?

১৭) স্ত্রী : ওগো বাংলা চৌদ্দশ সাল উপলক্ষে চৌদ্দ পদ রান্না করলাম। কেমন হল?
স্বামী : মন্দ নয়, তবে চৌদ্দবার না আবার টয়লেটে দৌড়াতে হয়।

১৮) স্ত্রী : জান, তোমার উলের সোয়েটারটা বুনতে দুটো ভেড়া প্রয়োজন।
স্বামী : কেন তুমি একা বুনতে পার না?

১৯) ঘরে ঢুকতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গায়ে ধাক্কা লাগল-
স্ত্রী : উফ অন্ধ নাকি তুমি, দেখতে পাও না ?
স্বামী : অন্ধ না হলে কি আর তোমাকে বিয়ে করি।

২০) স্ত্রী : বিয়ের আগে কি তোমার কোনো বান্ধবী ছিল?
স্বামী : না, তুমিই প্রথম।
স্ত্রী : কাল যে মেয়েটির সঙ্গে খুব হেসে কথা বলছিলে ওই মেয়েটি তা হলে কে ?
স্বামী : ওর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে বিয়ের পর।

২১) স্ত্রী : যখন আমাদের বিয়ে হয়েছিল তখন তুমি প্রতিক্ষা করেছিলে ভালবাসার, শ্রদ্ধার এবং একতার। বল কর নি ?
স্বামী : হ্যাঁ করেছিলাম । আসলে আমি তখন এতগুলো লোকের সামনে তর্ক জুড়ে দিতে চাই না।

২২) স্বামী : ধুত্তুর আমি এ সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিব
স্ত্রী : তার আগে এক লিটার কেরোসিন আনো চুলো জ্বালাব।

২৩) স্ত্রী : ওগো বল না আমাকে কখন তোমার সবচেয়ে সুন্দর লাগে?
স্বামী : যখন তুমি বাপের বাড়ি থাক।

২৪) স্বামী : তুমি এই বড় সুটকেস ভর্তি করে কাপড় না এনে বড় আলমারিটাই তো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারতে।
স্ত্রী : ঠাট্রা করছ? ভারি তো কটা কাপড় সঙ্গে নিয়েছি তাতেই।
স্বামী : না, আসলে ট্রেনের টিকিট দুটো আলমারিতে ফেলে এসেছি।

২৫) স্বামী : তুমি এই বড় সুটকেস ভর্তি করে কাপড় না এনে বড় আলমারিটাই তো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারতে।
স্ত্রী : ঠাট্রা করছ? ভারি তো কটা কাপড় সঙ্গে নিয়েছি তাতেই।
স্বামী : না, আসলে ট্রেনের টিকিট দুটো আলমারিতে ফেলে এসেছি।

২৬) স্বামী : বাড়িওয়ালা হঠাৎ আমাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্ত্রী : হঠাৎ উইদাউট নোটিশে …
স্বামী : উনি বললেন ঘরটা নাকি কমারশিয়াল পারপাসে ইয়ুজ হচ্ছে।
পঁচাত্তর বছর বিবাহবার্ষিকী পালনের সময়।

২৭) স্ত্রী : তোমার মনে আছে বিয়ের প্রথম দিনে তুমি কী করেছিলে ?
স্বামী : গাল কামড়ে দিয়েছেলাম তোমার।
স্ত্রী : সেদিন কী আর ফিরে পাব ?
স্বামী : দাঁড়াও বাথরুম থেকে দাঁতটা নিয়ে আসি
স্ত্রী : তুমি ঘড়ির দোকানের মালিকের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবে বলছ কেন?
স্বামী : যাতে বিয়ের সময় জামাইকে ঘড়ি দিতে না হয় তাই।

২৮) স্বামী : কাল রাতে স্বপ্ন দেখলাম আমি পৃথিবীর সেরা সুন্দরীকে বিয়ে করেছি।
স্ত্রী : সত্যি ?
স্বামী : এখন মনে হচ্ছে দুঃস্বপ্ন দেখেছি ।

২৯) স্ত্রী : আমি মরে গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে আবার বিয়ে করবে না গো ।
স্বামী : মাথা খারাপ। আগে ক’টা দিন জিরিয়ে নেব।

৩০) স্ত্রী : শোনো আমার বান্ধবীরা আসছে আশা করি অন্তত চা-টা ওদের সামনে মার্জিতভাবে খাবে, পিরিচে ঢেলে খাবে না।
স্বামী : তুমি পাগল না উন্মাদ? কাপে যে খাব চামচের গুতোয় চোখটা যাবে না আমার ?

৩১) স্বামী : পার্টিতে ঐ ইংরেজটা ওইভাবে তোমাকে চুমু খেল, তুমি বাধা দিলে না কেন?
স্ত্রী : আরে আমি তো কত বারণ করলাম। কিন্তু ও তো আমার ভাষাই বোঝে না।

৩২) স্বামী সিনেমা ম্যাগাজিনে নায়িকাদের ছবি দেখছিল-
স্ত্রী : আমি ওদের থেকেও সুন্দরী নই?
স্বামী : অবশ্যই ।
স্ত্রী : সত্যি তুমি অসম্ভব সৎ আর…
স্বামী : আর ভীতু।

৩৩) স্বামী-স্ত্রীর ছোট সংসারে হঠাৎ করে অতিথি এসে হাজির। যাবার নাম নেই। তখন স্বামী-স্ত্রী যুক্তি করল তারা ঝগড়ার অভিনয় করবে। তাই শুরু হল-হুলস্থুল কান্ড। এই দেখে অতিথি বাক্মপেঁটরা গুছিয়ে পালাল।
স্বামী : হাঃ হাঃ কাজ হয়েছে- এই তোমার লাগে নি তো মিথ্যে মারছিলাম ।
স্ত্রী : না আমিও মিথ্যে মিথ্যে কাঁদছিলাম। এ সময় দরজা দিয়ে অতিথিকে ফের বাক্সপেঁটার নিয়ে ঢুকতে দেখা গেল।
স্বামী-স্ত্রী : আপনি ?
অতিথি : আরে আমিও কি সত্যি সত্যি চলে গিয়েছিলাম, মিথ্যে মিথ্যে অভিনয় করলাম তোমাদের মতো হাঃ হাঃ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য