বাংলা জোকস পর্ব ১৩


bangla-jokes-13

১) বড় আপুদের সাথে জয় বাংলার কথা

 ৭ বছর বয়সি একটি ছেলে রাস্তাদিয়ে যাচ্ছে ।লুঙ্গি পরে লুঙ্গির পেছনের দিকে খানিকটা ছেড়া তোছেলেটি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একদল কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তার পেছনে।তারা প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছে। হটাৎ মেয়ে গুলোর নজর পড়ল ছেলেটার লুঙ্গির পেছনে ছেড়ারওপর।তখন মেয়েদের ভেতর থেকে একটি মেয়ে বলে উঠলো।
মেয়ে: এই ছেলে লুঙ্গিটা একটুঘুরায়ে পরো।তোমার জয়বাংলা দেখা যায়।
ছেলে: আপা পেছোনে তো জয়বাংলা দেখা যাচ্ছে লুঙ্গি টা ঘুরয়ে পরলেসোনারবাংলা দেখা যাবে।


২) বিয়ের আগে ও পরে বল্টু

 বিয়ের আগেঃ- বল্টুর প্রেমিকা তাকে বলছে” ডার্লিং চাঁদ কোথায়?
বল্টুঃ একটা আকাশে আরেক টা আমার পাশেই বসে আছে।
বিয়ের পর:-
বউঃ এই শুন না, চাঁদ কোথায়??
বল্টুঃ ওই তুই কানা নাকি!!!??আকাশে কি তোর বাপ “ফিলিপস” বাত্তি জালাইয়া রাখছে ?


৩) এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না।

 বল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে।
দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কি করবেন?
বল্টু: আত্মহত্যা করব।
দোকানদার: ক্যান ভাই?
বল্টু:কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না।
দোকানদার: মানে?
বল্টু:আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম।হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল।আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে বাম পা বেধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল।আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের সাথে শক্ত করে বাধলাম।অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল।ভাবলাম লেজটাও বেধে রাখি।কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না।শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে লাগলামবেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল।এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসেআমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো।এখন আপনিই বলেন আমি আমার বউকেকি করে তা বোঝাব????বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে।এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না।


৪) শুভ অশুভ

 রাজার মেজাজ খারাপ।রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জা সামনে পড়ে গেলেন। হোজ্জাকে দেখে রাজার মেজাজ আরো বিগড়ে গেলো। প্রহরীদের রাগত গলায় বললেন, 'শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জার সামনে পড়ে যাওয়াটা আমার ভাগ্যের জন্য খারাপ। ওকে আমার দিকে তাকাতে দিয়ো না, চাবুকপেটা করে ওকে পথ থেকে সরিয়ে দাও।'প্রহরীরা তা-ই করল। শিকার কিন্তু ভালোই হলো। রাজা হোজ্জাকে ডেকে পাঠালেন, 'আমি সত্যি দুঃখিত, হোজ্জা। ভেবেছিলাম তুমি অশুভ। কিন্তু তুমি তা নও।' হোজ্জা বললেন, 'আপনি ভেবেছিলেন আমি অশুভ! আপনি আমাকে দেখার পর ভালো শিকার করেছেন। আর আমি আপনাকে দেখে চাবুকপেটা খেয়েছি। কে যে শুভ কে যে অশুভ, বুঝলাম না।'


৫) কোরবানীর গরু

 জলিল বাই কোরবানীর গরু কিনে ফিরছেন৷ পথে চাকিপ কানের সাথে দেখা৷ চাকিপঃ হাউ মাছ? জলিলঃ আর ইউ পম গানা? ডিশ ইজ কাউ, ঈটস নট মাছ


৬) পরের জনমে বিশ্বাস

 বস বলছেন কর্মচারীকে, ‘আপনি কি মৃত্যুর পরের জনমে বিশ্বাস করেন?’
কর্মচারী: জি স্যার।
বস: হুমম, করারই কথা। গতকাল আপনি মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর কথা বলে অফিস থেকে ছুটি নেওয়ার পর আপনার মা অফিসে এসেছিলেন, আপনার সঙ্গে দেখা করতে


৭)  আপনার কোন ব্রেইন নাই

 একজন নাস্তিক শিক্ষক একজন মুসলিম ছাত্রী কে প্রশ্ন করলেন
শিক্ষকঃ তুমি কি তোমার আল্লাহ কে দেখতে পাও?
ছাত্রীঃ না
শিক্ষকঃ তুমি কি তোমার আল্লাহ কে স্পর্শ করতে পার?
ছাত্রীঃ না
শিক্ষকঃ তার মানে তোমার আল্লাহ বলে কিছু নাই !!
ছাত্রীঃস্যার , আপনি কি আপনার ব্রেইন দেখতে পান?
শিক্ষকঃ না
ছাত্রীঃ আপনি কি আপনার ব্রেইন স্পর্শ করতে পারেন?
শিক্ষকঃ না
ছাত্রীঃওহ !! তার মানে কি এই দাঁড়ালো যে আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনার কোন ব্রেইন নাই !!


৮) আপনার মাথা ঠিক আছে?

 ‘মফিজ’ বেকার লোক। অনেকদিন ধরে চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কিন্ত হচ্ছেনা। এক অফিসে ইন্টারভিউ দিতে এসে পরিচিত ‘কুদ্দুস’ এর দেখা পেল। ঘটনাক্রমে তারা দুজনেই ওয়েটিং রুমে অপেক্ষারত। প্রথমে ইন্টারভিউ রুমে কুদ্দুস
প্রশ্ন ১: মিস্টার কুদ্দুস, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল কখন বলতে পারেন ?
কুদ্দুস: স্যার, হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছে ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২: বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবির নাম বলুন ?
কুদ্দুস: অনেকেই তো আছেন, নির্দিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩:ঢাকা শহরে যানজটের কারণ কি বলে আপনি মনে করেন ? কুদ্দুস: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়। কুদ্দুস ইন্টারভিউ শেষে চলে যাবার সময় মফিজ জানতে চাইলো কি কি প্রশ্ন করা হয়েছে। কুদ্দুস অন্য কোথাও যাবে তাই তিনটা প্রশ্নের উওর মফিজকে বলে তাড়াতাড়ি চলে গেল।প্রশ্ন গুলো বলা হলো না। এবার ইন্টারভিউ রুমে মফিজ
প্রশ্ন ১: মিষ্টার মফিজ, আপনার জন্ম কত সালে ?
মফিজ: হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তু হয়েছি ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২:(প্রশ্নকর্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো) আপনার পিতার নাম কি ?
মফিজ: অনেকেই তো আছেন, নির্দিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩:(প্রশ্নকর্তা রেগে) আপনার মাথা ঠিক আছে ?
মফিজ: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়।


৯) স্বামী- স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর…

স্বামী- স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর… স্ত্রী কাপড় চোপড়সহ ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্বামীঃ ব্যাগ গোছাও কেন?
স্ত্রীঃ আমি আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি। এরপর স্বামীও ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্ত্রীঃ তুমি আবার কই যাও!!!
স্বামীঃ আমিও আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।
স্ত্রীঃ তাহলে আমাদের এই ৭ টা বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে?
স্বামীঃ তুমি তোমার মায়ের কাছে যাচ্ছ, fine, আমিও আমার মায়ের কাছে যাচ্ছি। সেই অনুযায়ী বাচ্চাকাচ্চাদের ও তাদের মায়ের কাছেই যাওয়া উচিত।


১০) একটা গরুকে টানতে টানতে ৩তালায় উঠাচ্ছে !!!

একদিন পটলাদা একটা গরুকে টানতে টানতে ৩ তালায় উঠাচ্ছে !!! তো আমি বললাম আরে ও পটলা দা গরুটাকে নিয়া চললে কোথায়, উত্তরে বলল-আরে গরুটার দুধ দোহাবো আর বালতিটা ৩ তলায় তাই ।


১১) কয়বার খুলে বলব

একদিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, “ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগ হয়েছে।”
ডাক্তার বললেন, “ কি রকম ? ”
রোগী বলল, “আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি”
ডাক্তার বলল, “ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।”
রোগী বলল, “ হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব !!!”


১২) গার্লফ্রেন্ডই বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে

 ভিক্ষুক :- স্যার, ২০টা টাকা দেন.. কফি খাবো।
লোক :- কেন ? কফি তো ১০ টাকা কাপ।
ভিক্ষুক :- স্যার, সাথে গার্লফ্রেন্ড আছে তো, তাই
লোক :- ভিক্ষুক হয়ে গার্লফ্রেন্ড ও বানিয়েছ
ভিক্ষুক :- জ্বী না স্যার, গার্লফ্রেন্ডই বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে


১৩) তুমি তো দেখতে অনেক ছোট

বিড়াল : তোমার বয়স কত?
হাতি : ৫ বছর।
বিড়াল : কিন্তু তুমি দেখতে তো অনেক বড়।
হাতি : I’m Complan boy, তা তোমার বয়স কত?
বিড়াল : ১০ বছর।
হাতি : কিভাবে? তুমি তো দেখতে অনেক ছোট।
বিড়াল : আমি Ponds Age Miracle ব্যবহার করি !!


১৪) বল্টুর নতুন জুতা

 বাবা ছেলে বল্টুকে নতুন জুতা কিনে দিয়ে বলল সিড়ি দিয়ে উঠার সময় দুইটা করে উঠবি। এতে জুতার উপর চাপ কমবে। জুতা বেশিদিন টিকবে। কিন্তু ছেলে বাবার চেয়ে আরো এক ডিগ্রী উপরে। সে বাবাকে খুশি করার জন্য তিনটা সিড়ি করে উঠছে। উপরে উঠার পর বল্টুর বাবা বল্টুর গালে মারলো জোরে এক চড়। ছেলের চিৎকারের শব্দে পাশের বাসার মহিলা এসে বলল
এতটুকু বাচ্চাকে কেউ এভাবে মারে? কেন মেরেছেন? বল্টুর বাবা বলল: ওকে বলেছি দুইটা সিড়ি করে উঠবি তাহলে জুতা বেশিদিন টিকবে।আর ও উঠলো তিনটা করে।
মহিলা: ও তো ঠিকই করেছে। আপনারতো খুশি হওয়ার কথা। বল্টুর বাবা খুশি হব কিভাবে বলেন, ও ২০০ টাকার জুতার তলা বাচাতে গিয়ে ৮০০ টাকার প্যান্টের তলা ছিড়ে ফেলেছে।


১৫) দীর্ঘজীবী হওয়ার ইচ্ছা

 রোগী: ডাক্তার সাহেব, দীর্ঘ জীবন পাওয়া যাবে~এমন কোনো ওষুধ আছে?
ডাক্তার: আছে, বিয়ে করে ফেলুন।
রোগী: বিয়ে করলে দীর্ঘজীবী হব?
ডাক্তার: না, তবে আপনার দীর্ঘজীবী হওয়ার ইচ্ছা মরে যাবে!


১৬) ক্লাবে যাওয়া

ছেলে স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে উঠছে। বাবা ভীষণ খুশি। আনন্দের আতিশয্যে,
বাবা বলেই ফেললেন, ‘তুই স্কুল পাস করেছিস। সেই খুশিতে আজ থেকে তোকে ক্লাবে যাওয়ার অনুমতি দিলাম।’
ছেলে: না বাবা, এ আমি করতে পারি না।
বাবা: (খুশি হয়ে) কেন বল তো?
ছেলে: কারণ, এক বছর হলো আমি ক্লাবে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি!


১৭) মান-সম্মান কম

 ১ম বন্ধুঃ তোকে মানা করার পরও তুই পাশের বাড়ীর মুরগী চুরি করলি, এখন যে তোকে জুতো দিয়ে মারা হবে। তোর মান-সম্মান কি আর থাকবে?
২য় বন্ধুঃ ইস!!! আমার মান-সম্মান এত কম নাকি যে জুতো দিয়ে দু'চারটে মারলেই চলে যাবে


১৮) স্বামী ও গাধার মধ্যে পার্থক্য

স্ত্রী: বলো তো, স্বামী ও গাধার মধ্যে পার্থক্য কী?
স্বামী: স্বামী গাধা হতে পারে। কিন্তু গাধাও এত বড় গাধা নয় যে সে স্বামী হবে!


১৯) কোন গাধাই বিয়ে করবেনা

প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে।
ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে। মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।


২০) দয়া করে রিচার্জ করুন

রাজু গেলো পুলিশেরর কাছে........
রাজুঃ আমি একটা সমস্যায় পড়েছি।
পুলিশঃ কিসের সমস্যা?
রাজুঃ আমি যখনি কাউকে ফোন দিতে যাই তখন একটা মেয়ে আমাকে খুব ডিস্টার্ব করে।
পুলশঃ আপনি কাউকে নাম্বার দিয়েছেন?
রাজুঃ না।
পুলিশঃ কি বলে মেয়েটি?
রাজুঃ মেয়েটি বলে ....... আপনার আকাউন্টের মেয়াদ শেষ দয়া করে রিচার্জ করুন।


২১) জানু তুমি এখন চেঞ্জ হয়ে গেছো।

 "বল্টু :- জানু তুমি এখন চেঞ্জ হয়ে গেছো।
মেয়ে :- কিভাবে? . .
বল্টু :- এখন তোমাকে Kiss করলে তুমি চোখ বন্ধ করো না কেন? .
মেয়ে :- 'হারামখোর' গতবার চোখ বন্ধ করছি। আর আমার পার্স থেকে ২০০০ টাকা উধাও .
বল্টু মিয়া পুরা বোল্ড ..


২২) জন সিনা ও দোকানদার

জন সিনা একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য।।।
জন সিনা : আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে???
দোকানদার : আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।।।
জন সিনা : আমি ঘড়িটা ৩২ টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে???
-- দোকানদার বেহুশ!!


২৩) সন্তান আমার পেটে

প্রেমিকা:- জান তোমার সন্তান আমার পেটে।
প্রেমিক:- ডাইনি তুই আমার সন্তান খেয়ে ফেললি কেন? ঠাশশশশশ


২৪) মনের ভেতর ছোটাছুটি করো!

মন্টু বলছে তানিয়াকে, ‘তোমার পা ব্যথা করে না?’
তানিয়া: কেন ?
মন্টু: কারণ তুমি সারা দিন আমার মনের ভেতর ছোটাছুটি করো!


২৫) ছাতা মাথায় দিয়ে যাও।

 মালিক ও চাকরের মধ্যে কথোপকথনঃ
মালিকঃ আজ গাছে পানি দিছস।
চাকরঃ জ্বী না হুজুর বাইরে তো বৃষ্টি নেমেছে।
মালিকঃ তো কি হয়েছে? ছাতা মাথায় দিয়ে যাও।


২৬) এক মেয়ে লটারি তে ৫ কোটি টাকা পেয়েছে

এক মেয়ে লটারি তে ৫ কোটি টাকা পেয়েছে !! কোম্পানি চিন্তা করলো হঠাৎ এই সংবাদ মেয়েকে জানালে মেয়ে খুশিতে মরে যেতে পারে। তাই চান্দুকে পাঠানো হল এমন ভাবে বলার জন্য যাতে মেয়ে খুশিতে না মরে..
চান্দু মেয়েকে গিয়ে বললঃ মনে করেন আপনি ৫ কোটি টাকা পেলেন তাহলে কি করবেন ?
মেয়েঃ আপনার সামনে নাচবো, আপনাকে ভালবাসবো, বিয়ে করব শুধু এটাইনা অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব !!!
শালা চান্দু খুশিতে নিজেই মইরাগেল !!


২৭) ধূমপান থেকে ১০ হাত দূরে থাকতে.

 ১ম জনঃ আরে এত লম্বা পাইপ দিলে ধুমপান করছেন।
২য় জনঃ ডাক্তার বলেছে, ধূমপান থেকে ১০ হাত দূরে থাকতে.


২৮) ব্যাপারটা কেমন দেখা যায় না ??

 একদিন ক্লাসে টিচার প্রশ্ন করলঃ যারা নিজেকে বোকা ভাব তারা উঠে দাঁড়াও !! কেউই উঠে দাঁড়াল না। কিন্তু কিছুক্ষণ পর মুখে একটা শয়তানি হাসি নিয়ে উঠে দাড়াল ক্লাসের সবচেয়ে পাজি ছাত্র বল্টু !!
টিচারঃ ওওও . . .তাহলে তুই নিজেকে বোকা ভাবিস?
বল্টুঃ স্যার, ঠিক তা নয়,,আসলে আপনি একাই শুধু দাঁড়িয়ে আছেন, ব্যাপারটা কেমন দেখা যায় না ???


২৯) স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম

 স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।
স্বামী বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী বাথরুমে গিয়ে স্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিল, হ্যালো জানু!
স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং,আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, আমার বউ বাথরুমে, যে কোনো সময় এসে পরব


৩০) গার্লস কলেজের বাস ড্রাইভার!

 ছেলে: জানো, প্রত্যেক দিন আমার জন্য কমপক্ষে ৭০টা মেয়ে Waitকরে?
মেয়ে : WOW! আপনিতো দেখছি মেয়ে হার্টথ্রব হিরো ৷...
ছেলে : আরে ধুর,আমিতো গার্লস কলেজের বাস ড্রাইভার!

Post a Comment

0 Comments