বাংলা জোকস পর্ব ১২

bangla-jokes-part-12


১)  দুই মাতাল এমন মদ খেয়েছে, ঠিকমতো হাঁটতেই পারছে না। তো এক বিল্ডিং দেখে এক মাতাল আরেক মাতালকে বলে কি, দেখ, কতো সুন্দর ওই বিল্ডিংটা! চল, ওটাকে ঠেলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। তো দুই মাতাল মিলে সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পরেই পরিশ্রমে ওদের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগলো। তখন ওরা ওদের জামা খুলে আবার সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পর এক চোর ব্যাপার-স্যাপার দেখে পিছন থেকে ওদের জামা নিয়ে চুপচাপ সরে পড়লো। একটু পর প্রথম মাতাল ওদের জামাগুলো নাই দেখে আরেক মাতালকে বললো-
: কিরে, আমাদের জামা গেলো কৈ?
: আরে, আমরা তো বিল্ডিংটাকে ঠেলতে ঠেলতে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি না!
: তাহলে চল, জামাদু’টো নিয়ে আসি। নইলে আবার চোরে চুরি করে নেবে।
: কিন্তু বিল্ডিংটা যতো সুন্দর! চোর যদি বিল্ডিংটাই চুরি করে নিয়ে যায়?
: আচ্ছা, তাহলে এক কাজ করা যাক। বিল্ডিংটা নিয়েই চল!
এবার দুই মাতাল মিলে বিল্ডিংটাকে উল্টো দিকে ঠেলতে লাগলো!


২) এক মাতাল পেশাব করছে

 এক মাতাল দুতলা থেকে জানালা দিয়ে পেশাব করছে | তখন আরেক মাতাল বলছে, আরে তোর পেশাব বেয়ে তো চোর উঠে যাবে ? এ কথা শুনে প্রথম মাতাল বলল, আমি কি তোর মতো বলদ নাকি, আমি ছেড়ে ছেড়ে করছি যাতে চোর উঠে আর পড়ে যায় |


৩) ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবক

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল" এর ইংরেজি কি হবে?
: এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
: আরবিটা পার ঠিক আছে বল |
: ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন


৪) বিয়ের আগে চুমু ?

 স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম | সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো |
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি |


৫) একটা ছেলে যদি একটা মেয়েকে

একটা ছেলে যদি একটা মেয়েকে Propose করে,তখন মেয়েটা ৬ রকমের উত্তর দিতে পারেঃ
(১) আমাকে একটু সময় দাও....আমি তোমাকে জানাবো।
(২) এটা আমার পক্ষে সম্ভব নাহ। Butআমরা সবসময় ভালো Friend হিসেবে থাকতে পারি...
(৩) এখন আমাদের এসব এর দিকে না গিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ দেওয়া দরকার।
(৪) আমি আরেকটা ছেলেকে খুব Like করি। সরি, এটা আমার পক্ষে Possible না।
(৫) ঠাশ..... ঠাশ..... ঠাশ...! (ছেলেটির গালে হাত চলে যাবে।)
(৬) এটা বলতে এতোদিন লাগে ! গাধা কোথাকার ! আমিও তো তোমাকে Love করি।


৬) ভাগ্যিস ১২টা বাজে নি--

১ম ব্যক্তিঃ কয়টা বাজে?
২য় ব্যক্তিঃ (কথা না বলে) মারলো এক ঘুষি।
১ম ব্যক্তি একেবারে ড্রেনে গিয়ে পড়ল
জনৈক দোকানদার বলল আরে ভাই উনি কম কথা বলতে ভালবাসেন। তাই সব কিছু কাজ দ্বারা বুজাতে চান। মানে এখন ১ টা বাজে। ১ম ব্যক্তিঃ ভাগ্যিস ১২ টা বাজে নি.......


৭) বিয়ে কি আর হবে না?

 চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল। লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
–তা একটিও পান নি?
–পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।


৮) শিক্ষকদের স্থান কোথায়?

 শিক্ষকঃ বলতো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেন স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষকঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি তোমার কিছু হবেনা!
জহিরঃ কেন স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অত মাষ্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলিনা


৯) ভারতের জলবায়ুকি দোষ করল?

স্যারঃবল্টু, বলো তো,ভারত কোন জলবায়ুর দেশ?
বল্টুঃ “ক্যাটরিনা” জলবায়ুর দেশ,স্যার।
স্যারঃ পাজি ছেলে, এই সহজ প্রশ্নের উত্তর জানোনা ???
বল্টু স্যার,.........বাংলাদেশ যদি “মৌসুমি”জলবায়ুর দেশ হয়,তাহলে ভারতের জলবায়ুকি দোষ করল?


১০) মডেল স্কুল থেকে চুরি করা জার্সি?

স্কুলের ফুটবল খেলোয়াড়দের জার্সি বারবার চুরি হয়ে যাচ্ছে দেখে মহা চিন্তায় পড়ে গেলেন দলের কোচ। অনেক চিন্তাভাবনা করে চুরি রোধ করতে জার্সি পেছনে এবার লেখা হলো 'মডেল স্কুলের জার্সি'। কিন্তু তার পরও জার্সি চুরি থামল না। তাই কোচ আবারও চিন্তাভাবনা করে নতুন জার্সি তৈরি করলেন।... জার্সির পেছনে লিখলেন, 'মডেল স্কুল থেকে চুরি করা জার্সি।'


১১) মেয়ের বন্ধু চা খাবে

এক মেয়ের বন্ধু চা খাবে,মেয়েটির কাছে চা ছিল কিন্তু দুধ ছিল না তখন মেয়েটি তার কাপড় খোলে. আর অন্য কাপড় পড়ে দুধ নিতেদোকানে যায়.... আপনাদের চিন্তাভাবনা পাল্টান,চরিত্র মানুষের মানবীয় গুণ...


১২) জান তুমি সাঁতার কাটতে পারো

Gf: জান তুমি সাঁতার কাটতে পারো ?
Bf: না, পারি না ।
Gf: ছি ছি ছি, একটা কুত্তা ও তো সাঁতার পারে !
Bf: জান তুমি সাঁতার পারো ?
Gf: হ্যাঁ পারি=>
Bf : তাইলে.=>=>তোমার আর কুত্তার মধ্যে তো কোনো পার্থক্যই নাই।


১৩) কপাল আর লুঙ্গীর মধ্যে মিল কোথায়?

কপাল আর লুঙ্গীর মধ্যে মিল কোথায়? দুটোই যেকোনো সময় খুলে যেতে পারে !কপাল খুললে পৌষ মাস,আর লুঙ্গী খুললে সর্বনাশ।


১৪) শিক্ষকঃ HSC এর পূর্নরূপ বলতো?

 শিক্ষকঃ বলতো HSC এর পূর্ন রূপ কি?
ছাত্রঃ স্বার এইডাতো খুব সোজা।স্বার বলব?
শিক্ষকঃ বল দেখি?
ছাত্রঃ মানে হ্যাডমাস্টার জুতা চোর।
শিক্ষকঃ হারামজাদা সেন্ডেল চোর।


১৫) আমার শখ বৃষ্টিতেভেজা!‪

 স্কুলের নতুন শিক্ষিকা ক্লাস এইটেরছাত্রদের সাথে পরিচিত হচ্ছেনপ্রথম ক্লাসে,
ম্যাডামঃ আমি তোমাদের নতুন ম্যাডাম।এসো তোমাদের সাথে পরিচিত হই।প্রথমে ছেলেরা একে-একে দাঁড়িয়ে নিজের নাম এবং একটা প্রিয় শখের কথাআমাকে বলো।
প্রথম জনঃ আমার নাম শাকিল, আমার শখবৃষ্টি ভেজা পদ্ম দেখা।
দ্বিতীয় জনঃ আমার নাম লিটন, আমারও শখবৃষ্টি ভেজা পদ্ম দেখা।এভাবে সব ছাত্র তাদের নাম বলল এবংপ্রিয় শখের কথা বলল, বৃষ্টিভেজা পদ্মদেখা।
শিক্ষিকা তো ছাত্রদের আচরণে অবাক,এরপর তিনি মেয়েদের দাঁড়করালেন এবং নিজের নাম ও শখেরকথাবলতে বললেন। প্রথম ছাত্রীটি অত্যন্ত লজ্জিত মুখে উঠেদাঁড়ালো এবং আস্তে আস্তে বললঃ"আমার নাম পদ্ম এবং আমার শখ বৃষ্টিতেভেজা!‪


১৬) আমার বনরে রাইখা আমারে I ♥ U বলছ পাঠা।

 আমি ও আমার বন্ধু রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম
আমি :দোস্ত মাইয়া পটানো খুব কঠিন।
বন্ধু : না দোস্ত আনেক সহজ।
আমি : কেমোন?
বন্ধু : যেমোন একটা মেয়ে জাচ্ছে তার সামনে জেয়ে বলে দিবি I ♥ U.
আমি : সর কি বলস।
বন্ধু : বিস্বাশ হয়না।
আমি : না।
বন্ধু : তাহলে দেখ বাস্তব প্রমান।
[১মিনিট পরে একি মেয়ে জাচ্ছিল]
আপু I ♥ U [ওমনি তার পায়ের জুতা দিয়ে বাড়ি মারল]
মেয়ে : আমার বনরে রাইখা আমারে I ♥ U বলছ পাঠা।


১৭) সারা দিন তো ওর সাথে কাটালাম, স্কুলেআসব কি করে!

 স্যার:কিরে কাল স্কুলে আছিস নাই কেন?
বল্টু: স্যার, বৃষ্টি এসেছিল!
স্যার: কই কাল তো বৃষ্টি হয় নাই।
বল্টু: আমার মামাতো বোন বৃষ্টি এসেছিল।সারা দিন তো ওর সাথে কাটালাম, স্কুলেআসব কি করে!


১৮) তোর বউ

 রাব্বি:-কীরে ভাই সজল তোর গালে কিস করল কে?
সজল:- হবে একজন।
রাব্বি:-কে সে?
সজল:-আগে বল কাউকে বলবি না!
রাব্বি:-বলবো না।
সজল:-সে আর কেউ না তোর বউ


১৯) কালু আর লালুর চকলেট খাওয়া

 একবার কালু আর লালু দুজনে এক দোকানে গেল দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত দেখে কালু ৩টে চকলেট পকেটে পুরে নিলো। দোকানের বাইরে এসে…
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে চকলেট তুলে নিলাম, অথচ কেউ কিছু বুঝতেই পারলো না। তুই কখনই এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব রেগে গিয়ে বললঃ চল, আমি এর থেকে কিছু বেশি তোকে দেখাচ্ছি। তারা দুজনে আবার দোকানে গেল, এবং লালু দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল, আপনি কি একটা জাদু দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য আমাকে ১টা চকলেট দিন। দোকানদার লালুকে ১টা চকলেট দিল। লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আর ১টা চাইলো। দোকানদার আবার ১টা দিল। লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আবার ১টা চকলেট চাইলো। দোকানদার এবারও তাকে চকলেট দিতেই লালু সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা, এতে তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. …. এবার, আমার বন্ধুর পকেট চেক করুণ, আপনার ৩টে চকলেট ফেরত পেয়ে যাবেন….


২০) আপনি আমারসাথে আসেন

 বল্টু ব্যাংকে গিয়ে একমহিলা কর্মকর্তীকে বলল,
বল্টু : এই শালী,আমি Accountখুলুম। ৷
মহিলা কর্মকর্তী : দেখুন,ভদ্রভাবে কথা বলুন৷।
বল্টু : তোর ভদ্রতারগুল্লি মারি !Account খুল জলদি ৷মহিলা কর্মকর্তী ম্যানেজারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করল।
ম্যানেজার : কি ব্যাপার,আপনি এত অভদ্র আচরণ করছেনকেন ?
বল্টু : অভদ্র আচরণেরখেতায় আগুন৷ শালা,আমি লটারীতে ১০ কোটি টাকা পাইছি ৷ Account খুলবকেমনে হেইডাক ! ম্যানেজার : আরে স্যার আপনি এই হারামজাদীর সাথে কিসের কথা কন ?
স্যার, আপনি আমারসাথে আসেন...


২১) আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!

 টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়? পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো। তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাফ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলেউঠলো, ‘অ্যাই আপু!’ টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, ‘কী?’ পাখিটা বললো, ‘বুঝতেই তো পারছেন।’ লুল লুল লুল..


২২) গাধা বল্টু নিজের বোনকে শোষ করলি।

 বল্টু : মা , তুমি আমাকে মিথ্যা কথা বলেছিলে কেনো ???
মাঃ তোকে আবার মিথ্যা কথা বলতে যাবো কেনো ?
বল্টুঃ তুমি গতকালই তো বলেছিলে আমার ছোট বোনটা নাকি পরী ???
মাঃ হ্যা, ঠিকই তো ! ও তো পরীই !
বল্টুঃ তাহলে আমি একটু আগে ওকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছিলাম , ও তখন ডানা মেলে উড়ল না কেন ?


২৩) মহিলার পেটে বাচ্চা ডাক্তারের কাজে।।

ডক্টর : আপনার তো জমজ বাচ্ছা হৈছে।
মহিলা : হবেই তো !! বাচ্চা পেটে নিয়া, চ্যলেন্জ2, আশিকি2, দাবাং2, জান্নাত2, পাগলু2 ফিল্ম দেখছি তো তাই।
ডক্টর : ভাগ্গিস আপনি বাচ্চা পেটে নিয়া, খোকা 420 ফিল্ম টা দেখেন নাই।


২৪) একজন বাস ড্রাইবার এক্সিডেন্ট করে

 একজন বাস ড্রাইবার এক্সিডেন্ট করে রাস্তার পাশে জমির ভিতর ঢুকে পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাস করল
পুলিশঃ ফাকা রাস্তায় এরকম এক্সিডেন্ট করলি কেন?
ড্রাইবারঃ স্যার, আমি তো ভালোভাবেই বাস চালাচ্ছিলাম হটাৎ করে এক পাগল রাস্তার মাঝে এসে নাচতে শুরু করল আমি ভাবলাম আমি যদি পাগলকে বাচাই,তাহলে বাসের সবাইকে মারতে হবে আর যদি বাসের সবাইকে বাচাই,তাহলে পাগলকে মারতে হবে আমি চিন্তা করে দেখলাম একজনের চেয়ে সবাইকে বাচানো ভালো তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম পাগলটাকে মারবো !!
পুলিশঃ তাহলে বাস জমির দিকে চালালি কেন?
ড্রাইভারঃ স্যার আমি যখন পাগলটাকে মারতে গেলাম তখন, পাগলটা দৌড়ে জমির ভিতর ঢুকে গেল, তাই.........।


২৫) মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি

 কৌতুক ১
ভদ্রলোক : ওই মিয়া, তুমি না আগে রেলস্টশনে ভিক্ষা করতা, এইখানে আইছ ক্যান?
ভিক্ষুক : সেইযায়গাটা মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি
কৌতুক ২
ভিক্ষুক জুতার দোকানে এসে বলল: কিছু খাওন দিবেন?
দোকানদার: গাধা নাকি? জুতার দোকানে কি খাওন পাওয়া যায়?
ভিক্ষুক: না মানে... পাশের দোকানে খাওন চাইয়া জুতার বাড়ি খাইছি তাই জুতার দোকানে খাওন চাইলাম ।


২৬) নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন

 নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজের গার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন। চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন। এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি। আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন, ‘কী লজ্জা! এত ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।’
ব্যাটসম্যান তখন বললেন, ‘লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।


২৭) এক হাঁড়কিপটে লোকের ঘরে মেহমানএল

এক হাঁড়কিপটে লোকের ঘরে মেহমানএল,
কিপটে : কি খাবেন?? ঠান্ডা না গরম??
মেহমান : ঠান্ডা ।
কিপটে : পেপসি নাকি রুহ আফজা??
মেহমান : পেপসি ।
কিপটে : গ্লাসে খাবেন নাকিবোতলে??
মেহমান : গ্লাসে ।
কিপটে : নরমাল গ্লাসে না ডিজাইনওয়ালা গ্লাসে??
মেহমান : ডিজাইন ওয়ালা গ্লাসে ।
কিপটে : কি ডিজাইন ফুলের নাকিফলের??
মেহমান : ফুলের ডিজাইন ।
কিপটে : কি ফুল, গোলাপ না বেলি?
মেহমান : গোলাপ ফুলওয়ালা ।
কিপটে : বড় বড় গোলাপ ফুলওয়ালানাকি ছোট ছোট গোলাপওয়ালা?
মেহমান : ছোট ছোট ।
কিপটে : সরি আপনাকে তাহলে আমিআর পেপসি খাওয়াতে পারলাম না....কারন আমার ঘরে ছোট ছোটগোলাপের ডিজাইন ওয়ালা কোনগ্লাস নেই!!!!!
বাড়িতে আসার জন্য ধন্যবাদ!!!!! আবারআসবেন!!!!


২৮) বল্টু বনাম পুলিশ

 পুলিশ : তুমি কোথায় থাকো..?
বল্টু : আমার বাবা মা এর সাথে
পুলিশ : তোমার বাবা মা কোথায় থাকেন?
বল্টু : আমার সাথে
পুলিশ : তোমরা সবাই কোথায় থাকো ?
বল্টু : একসাথে
পুলিশ : উফফ তোমার বাসা কই ?
বল্টু: আমার প্রতিবেশীর বাসার পাশে
পুলিশ : তোমার প্রতিবেশীর বাসা কোথায় ?
বল্টু : আপনারে যদি বলি আপনি বিশ্বাস করবেন না
পুলিশ : আরে ভাই আগে বল কই?
বল্টু : আমার বাসার পাশে…


২৯) এখন কইটা বাজে

 বল্টু তার বন্ধু মন্টকে রাত২.৪৫ একলকরল।টিং টিং টিং টিং,,,
মন্টু:- (ঘুম ভেঙ্গে) হেলো!!
বল্টু: (কাঁদতে কাঁদতে) আমারসর্বনাসহয়ে গেল দোস্ত।
মন্টু:- (চমকে গয়ে) কি! কিহয়েছে???
বল্টু:-আমার সব শেষ।
মন্টু:- আরে কি হইসে বলবিতো,
বল্টু:- কথাটা সুইননা তুই কিছুমনেকরবিনা তো??
মন্টু:- তুই আমার এতো ভালঘুমভেঙ্গে কি মসকারি করতাসস??কি বলবি তারাতারি বল।
বল্টু:- আমার প্রিয় ১৫০ টাকাদামেরঘড়িটা নষ্ট হয়ে গেসে।তাই এখনটাইম জানার জন্যতোরে কল দিসি,এখন কইটাবাজে??

৩০) পদার্থ কাকে বলে ?

শিক্ষক- বলতো পদার্থ কাকে বলে?
ছাত্র- জানি না স্যার।
শিক্ষক- অপদার্থ কোথাকার! যার ওজন ও আয়তন আছে তাকেই পদার্থ বলে।
ছাত্র- তাহলে আমাকে অপদার্থ বললেন কেন? আমার তো ওজন আয়তন দুটোই আছে

Post a Comment

0 Comments