বাংলা জোকস পর্ব ১৫


bangla-jokes-part-15

১)  বউ নিয়ে আসতে পারো না?

বল্টুর জ্বালায় অস্থির তারমা তাকে বলল.... " এত্ত বড়ছেলে হইছস,বিছানা এলোমেলো করে রাখসকেন? নিজেররূমটা নিজে গুছাই রাখতে পারসনা?না?আমাকে গুছাইতে হয় কেন? "---
বল্টুঃ ‘ছেলে এত্ত বড়’ হইছে, বউ নিয়ে আসতে পারো না?


২) এক পোলা খিচ্চা গাঁজা খাইছে।

 এক পোলা খিচ্চা গাঁজা খাইছে। বাসায় বাপে যেনো না বুঝতে পারে তাই বাসায় ঢুইকাই তারাতারি ল্যাপটপ খুইলা টিপাটিপি করতে লাগলো। ওর বাপে আইসা জিগায়, তুই কি গাঁজা খাইছোস? পোলাঃ কই নাতো!!
বাপঃ হারামজাদা, তাইলে আমার ব্রীফকেস খুইলা ঘাটাঘাটি করতাছোস ক্যান?!.


৩) দুঃসংবাদটা হইল আগের সুসংবাদটা মিথ্যা

 বাবা : পাপ্পু, তোর রেজাল্ট কি ??
পাপ্পু : বাবা , একটা সুসংবাদ আছে আরেকটা দুঃসংবা আছে ৷
বাবা : আগে সুসংবাদটা বল ৷
পাপ্পু : আমি পরীক্ষায় পাশ করছি ৷
বাবা : আর দুঃসংবাদ ??
পাপ্পু : দুঃসংবাদটা হইল আগের সুসংবাদটা মিথ্যা.


৪) লেবু গাছ

 শিক্ষক:" মনে করো সাগরের মাঝ খানে একটা লেবু গাছ। তুমি কিভাবে লেবু পেড়ে আনবে?
মন্টু:" পাখি হয়ে স্যার্। . .
শিক্ষক: "মানুষ কে পাখি বানাইবো কি তোর বাপ? . . . .
মন্টু:" সাগরের মাঝখানে লেবু গাছ লাগাইবো কি আপনার বাপ?


৫) তোমাকে বিয়ে করব কেন????

 মেয়ে : সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দাও. ছেলে : ছেড়ে দিলাম.
মেয়ে : বীয়ার খাওয়া ছেড়ে দাও.
ছেলে : ছেড়ে দিলাম.
মেয়ে : কথা দাও আর কোন... মিথ্যা কথা বলবে না.
ছেলে : কথা দিলাম. .প্রমিজ করলাম.
মেয়ে :বল আমায় বিয়ে করবে??
ছেলে : না মেয়ে : কেন???
ছেলে : এখন যেহেতু অনেক ভাল হয়ে গেছি তেহেতু তোমার থেকে অনেক ভাল মেয়ে পাব! তাইলে তোমাকে বিয়ে করব কেন????


৬) বিয়ের দিন কনে কে এত সুন্দর করে সাজায় কেন ?

 বিয়ের দিন কনে কে এত সুন্দর করে সাজায় কেন ? কারন . . . জিনিস যেমনই হোক PACKING টা ভাল হউয়া চাই-


৭) এক মেয়ে একবার একটা যাদুর চেরাক খুজে পেলো।

 এক মেয়ে একবার একটা যাদুর চেরাক খুজে পেলো। চেরাক ঘষতেই ভুতবের হয়ে আসলো।
ভুত - বলুন ম্যাডাম,আমি কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি ? আমি আপনার যে কোনো একটি ইচ্ছা পূরণ করতে পারি।
মেয়ে -আমাকে একটা রাস্তা বানায় দিন যেটা সরাসরি বাংলাদেশ থেকে ......ইংল্যান্ড এ যাবে।
ভুত - এটা তো খুব কঠিন কাজ। আপনি অন্য কিছু বলেন।
মেয়ে - আচ্ছা,তাহলে সবছেলে কে এমনকরে দেও যেনো তারা একটার বেশি মেয়ের সাথে রিলেশন না করে ।
ভুত - ম্যাডাম, আগের কাজ টাই দেন,কয়্টা রাস্তা বানায় দিতে হবে ম্যাডাম ?!


৮) জঙ্গলে এক চিতা বিড়ি খাচ্ছিল।

 জঙ্গলে একচিতা বিড়ি খাচ্ছিল। তখন এক ইঁদুর আসলো আর বলল:ভাই নেশা ছাইড়া দেও,আমা রসাথে আস, দেখ জঙ্গল কত সুন্দর! চিতা ইদুরের সাথে যেতে লাগল। সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিল, ইঁদুর হাতিকেও একইকথা বলল। এরপর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করল। কিছু দূরযাওয়ার পর তারা দেখল বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে । ইঁদুর যখন তাকেও একই কথা বলল,সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির গ্লাস রেখে ইদুরকে দিল কইষা একটা থাপ্পড়!! হাতি: বেচারাকে কেন মারতাছ?
বাঘ: এইশালা কালকেও গাঁজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘণ্টা ঘুরাই ছিল.


৯) আমার এটার চার্জার টা দরকার্

এক মেয়ে তার ফোন হারায় ফেলছে। সে মন খারাপ করে তার বাসায় ফিরে গেলো। তারপর সে কি মনে করে তার ফোন এ কল দিলো যে কেউ ধরে কিনা। এক ছেলে ফোন ধরলো
-হ্যালো, কে বলছেন্?
মেয়েটা - আমি এই ফোন টার মালিক যেটা দিয়ে আপনি কথা বলতেছেন্।
ছেলে- জি, আমি আপনাকেই খুজতেছিলাম । যাক অবশেষে আপনাকে পাওয়া গেলো।
মেয়েটা খুশি হয়ে- আপনি এতো ভালো যে আমাকে ফোন টা ফেরত দেয়ার জন্য অপেক্ষা করতে ছিলেন ? আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ্।
ছেলে- আরেহ না, আমার এটার চার্জার টা দরকার্, সেটাও প্লিজ দয়া করে একদিন রাস্তায় ফেলে দিয়ে যাইয়েন.


১০) ভাই আজ বুজি বিস্কুট নাই?

 এক লোকের দাতে পোকা ধরায় সে ডাক্তারের কাছে গেলো >>>>>>
ডাক্তার:" ৪দিন সকাল এবং বিকেলে দুধ আর বিস্কুট খাবেন। এবং ৫ম দিন শুধু দুধ খাবেন। লোকটি ডাক্তারের পরামর্শ মতো ৪দিন দুধ এবং বিস্কুট খেলো। আর ৫ম দিন শুধু দুধ খেলো। ৫ম দিন পোকা দাত থেকে বাহির হয়ে আসলো। আর, বললো কি ভাই আজ বুজি বিস্কুট নাই?


১১) তাহলে আমার ছেলেকে নিয়ে যান

 বাবা এবং ছেলে মার্কেটে যাবে ।
বাবাঃ এইযে রিক্সাওয়ালা ভাই যাবেন ?
রিক্সাওয়ালাঃ হ্যাঁ যাব ।
বাবাঃ আমি এবং আমার ছেলে যাব । ভাড়া কত নিবেন ?
রিঃ আপনার ভাড়া ১৫ টাকা দিলেই হবে । আপনার ছেলের ভাড়া ফ্রী ।
বাবাঃ তাহলে আমার ছেলেকে নিয়ে যান । আমি হেটেই যাব ।


১২) বল্টু নতুন প্রেমে পরছে

 বল্টু নতুন প্রেমে পরছে। তো চান্দু বল্টুকে বলছে,
চান্দুঃ কিরে, তুই নাকি প্রেম করছিস?
বল্টুঃ হ্যাঁ.........
চান্দুঃ মেয়েটিকে দেখাবি না........???
বল্টুঃ নিশ্চয়ই, এখনই চল.........
(কিছুদুর যাওয়ার পর, একটা বাড়ির দু’তলায় দাঁড়িয়ে থাকা একটা মেয়ে কে দেখিয়ে)
বল্টুঃ ওই যে দেখ বারান্দায় দাড়িয়ে আছে...
(মেয়েটির দিকে তাকানোর সঙ্গে সঙ্গে বল্টুকে আর চান্দুকে সে পায়ের জুতা দেখালো)
চান্দুর মাথা পুরাই গরম তাকে জুতা দেখিয়ে লজ্জা দিলো....
চান্দুঃ কেন, মিথ্যা কথা বললি? তুই নাবললি মেয়েটি তোকে ভালোবাসে? মেয়েটি তো তোকে জুতা দেখাইতেছে....
বল্টুঃ তুই বুঝবি না, এই ভাষা কেবল প্রেমিকরাই বুঝে, ও আমাকে বাটার (Bata) দোকানের সামনে দাড়াতে বলছে....
চান্দুঃ আগে প্রেমিকরা, প্রেমিকার চোখের ভাষা বুঝতো, আর এখন দেখতাছি তারা জুতার ভাষাও বুঝে..........কেও আমারে মাইরাল


১৩) বিদুৎ চমকালে কোন কোন মানুষ হাসে কেন?

বিদুৎ চমকালে কোন কোন মানুষ হাসে কেন?কারন তারা ভাবে,এইমাত্র তাদের ছবি তোলা হল।


১৪) একটা পরী উড়তে দেখলাম

 এক শিশু ইঁদুর জীবন প্রথমে একটা বাঁদুড়কে আকাশে উড়তে দেখে দৌড়ে তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল— :জানো মা, আজ না আকাশে একটা পরী উড়তে দেখলাম!


১৫) গরম কি আছে ?

একদিন এক লোক রেস্টুরেন্টে গেল---
লোকঃ এই, গরম কি আছে ?
বালকঃ বিরানী, খিচুরি,তেহারি।.
লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ মোগলাই পরোটা,পুরি।
লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ দুধ, চা, কফি। লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ (বিরক্ত হয়ে) আছে চুলার জ্বলন্ত কয়লা। লোকঃ যা এক প্লেট নিয়া আয়। বালকঃ কেনো ? কি করবেন ?
লোকঃ বিড়ি জ্বালাম..


১৬) ডাক্তার সাহেব ,আমাকে বাঁচান!

 রোগী >> ডাক্তার সাহেব ,আমাকে বাঁচান!
ডাক্তার >> কী হয়েছে আপনার?
রোগী >> আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। রাতে খাটে ঘুমাতে গেলে মনে হয় খাটেরমনে হয় খাটের নিচে কেউ বসে আছে। খাটের নিচে গেলে মনে হয় খাটের ওপর কেউ সুয়ে আছে। এভাবে ওপর-নিচকরে করে আমার রাত পেরিয়ে যায়।
ডাক্তার >> হুম,বুঝতে পেরেছি। আপনি দুই মাস প্রতি সপ্তাহে তিন বার আমার চেম্বারে আসুন,আপনি ভাল হয়ে যাবে। হয়ে যাবে।
রোগী>> ইয়ে মানে আপনার ভিজিটকত?
ডাক্তার >> ২০০ টাকা। দুই সপ্তাহ পর রোগীর সংগে দেখা হলো ডাক্তারের ।
ডাক্তার >> কী হলো,আপনি যে আরএলেন না?
রোগী >> ধুর মিয়া একজন কাঠমিস্ত্রি মাত্র ২০টাকার বিনিময়ে আমারসমস্যা সমাধান করে দিয়েছে। আপনাকে অতবার ২০০টাকা দিতে যাবকেন? ডাক্তার >> কীভাবে?....
রোগী >> আমার খাটের পায়াগুলোকেটে ফেলেছে!


১৭) আমার চেয়ে আমার বাবা বড় ইডিয়েট।

এক বোকা ব্যাক্তি সকালে পার্কে jogging করতে বের হয়েছেন। এমন সময় একজন ভদ্রলোকের সাথে ধাক্কা খান। ভদ্রলোক তাকে বলে, এই ইডিয়েট রাস্তা দেখে চলতে পারো না।
বোকা লোকটি ইংলিস জানত না। সে ভাবল সে মোটা তাই তাকে ইডিয়েট বলেছে। সে ভদ্র লোকটিকে বলল,আমি আর কি ইডিয়েট আমার চেয়ে আমার বাবা বড় ইডিয়েট।


১৮) মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত

ছাত্রটি তখন পরীক্ষা দিচ্ছিল। ছাত্রকে পরীক্ষার হলথেকে টেনেহিঁচড়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে গেলেন একশিক্ষক। প্রধান শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাকে ধরে আনা হয়েছে।
বলা হলো, সে নকল করছিল।‘কী, এত বড় সাহস! নকল করছিল!’‘জি, স্যার! নকল করছিল।
প্রশ্নে এসেছে, মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত।
স্যার,.....:::: ::সে পরীক্ষার হলে শার্ট খুলে বুকের হাড় গুনছিল। আজব মাস্টার বটে !!!!!!

১৯) চীনা ভাষাটাই জানিস না

সর্দারজির ছেলে :বাবা,বাবা, দেখো আমি কত সস্তায় একটা চাইনিজ রেডিও কিনেছি।.......
সর্দারজি :আরে বুদ্ধু ছেলে তুই তো চীনা ভাষাটাই জানিস না। তাহলে চাইনিজ রেডিও দিয়ে কী করবি!


২০) ধর্ষন কাকে বলে

 ভার্সিটিতে সমাজ ক্লাস চলছে...
শিক্ষক বলছেন: আজ আমরা ধর্ষন বিষয়ে পড়ব।আচ্ছা রাজন বলতো ধর্ষন কাকে বলে?
রাজন: কর্তার ইচ্ছায় কর্তীর আনিচ্ছায় পরষ্পরে যে ঘর্ষনের সৃষ্টি হয় তাকে ধর্ষন বলে।


২১) “আসসালামু আলাইকুম, I LOVE YOU!!

এক ছেলে এক মেয়ে কেঃ“I LOVE YOU!!”
মেয়ে খেপে গিয়েঃ “মেয়েদের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলতে পার নাহ??
ছেলেঃ “আসসালামু আলাইকুম, I LOVE YOU!!


২২) তোর দেখা আমি বার করছি।

 নতুন বউকে নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছেন সরদারজি। ট্যাক্সিতে পেছনের সিটে বসে স্বামী-স্ত্রীতে চলছে মধুর আলাপ! এমন সময় লক্ষ করলেন, ড্রাইভার ব্যাটা গাড়ির আয়নায় বারবার তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকাচ্ছে। ভীষণ খেপে গেলেন সরদারজি। বললেন, ‘এই ব্যাটা, অমন মিটমিট করে বারবার কী দেখিস? দাঁড়া, তোর দেখা আমি বার করছি। তুই পেছনে এসে বস, আমিই গাড়ি চালাব!’এমন সময় লক্ষ করলেন, ড্রাইভার ব্যাটা গাড়ির আয়নায় বারবার তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকাচ্ছে। ভীষণ খেপে গেলেন সরদারজি। বললেন, ‘এই ব্যাটা, অমন মিটমিট করে বারবার কী দেখিস? দাঁড়া, তোর দেখা আমি বার করছি।


২৩) শরীরে যে অংশটা থাকবে একে বলে কংঙ্কাল

 শিক্ষক ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন কাল কাকে বলে?
ছাত্র: স্বার কাল অনেক প্রকার যেমন, সকাল,বিকাল.রাত্রিকাল.ইহকাল,পরকাল,সমকাল।
শিক্ষক: এখন তোমাকে মারতে মারতে শরীরে যে অংশটা থাকবে একে বলে কংঙ্কাল।


২৪) আমি তোরটা নকল করেছি।

 প্রথম বন্ধু: কিরে, পরীক্ষা কেমন হয়েছে?
দ্বিতীয় বন্ধু: কোনো প্রশ্নই কমন পড়ে নি। তাই সাদা খাতা জমা দিয়ে এসেছি।
প্রথম বন্ধু: সর্বনাশ করেছিস। আমি ও তো সাদা খাতা জমা দিয়েছি। স্যার মনে করবে, আমি তোরটা নকল করেছি।


২৫) একটি ইন্টারভিউঃ

---সবায় পড়ার চেষ্টা করুন ---
প্রশ্নকতাঃ একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থীঃ এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তাঃ আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থীঃ ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তাঃ একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থীঃ ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তাঃ বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছেশুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থীঃ হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তাঃ এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খালপার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
প্রার্থীঃ কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তাঃ শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থীঃ উমম… আমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।


২৬) নিউটন কে, জানো?

শিক্ষকঃ বল্টু,নিউটন কে, জানো?
বল্টুঃ জানি স্যার!
শিক্ষকঃ বলো দেখি,কি জানো?
বল্টুঃ বিজ্ঞানীটি Newton, তার কাজ ছিল রহস্য উদঘাটন, তার বাড়ি ছিল ওয়াশিংটন, তার বাপের নাম কটন, তার ভাইয়ের নাম ছোটন, তার ছেলের নাম প্রোটন, তার প্রিয় হোটেল শেরাটন, প্রিয় খাবার মাটন, তার ফ্রিজের নাম ওয়ালটন, প্রিয় বন্ধুর নাম রতন, প্রিয় খেলার নাম ম্যারাথন . . স্যার আর কিছু ??? স্যার বেহুঁশ


২৭) চাঁদ কাছে নাকি আমেরিকা কাছে

 শিক্ষক ক্লাসে ছাত্র বল্টুকে জিঙ্গেস করলেন ::বলতো বল্টু চাঁদ কাছে নাকি আমেরিকা কাছে ।
বল্টু : বলল চাঁদ কাছে ।
শিক্ষক বল্লেন কিভাবে বুঝলে ?
বল্টু বলল স্যার চাঁদ এখান দেখা যায় কিন্তু আমেরিকা দেখা যায় না তাই চাঁদ কাছে স্যার ।
শিক্ষক তো বেহুঁশ ।।


২৮) বিপদের উদাহরন দাও।

 শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কথো পকথন***
শিক্ষক: পদ কত প্রকার ও কি কি?
বল্টু: স্বার পদ দুই প্রকার। ১।আপদ ২।বিপদ শিক্ষক*
বিপদের উদাহরন দাও।
বল্টু: স্বার যখন যদু স্বার আর মধু মেডাম ধাক্কা খায়, তখন তাকে বিপদ বলে।


২৯) উদ্ধার হলেও বিপদ,না হলেও বিপদ।

 স্যার: এমন ১ টা বিপদের নাম বল ,যা থেকে উদ্ধার হলেও বিপদ,না হলেও বিপদ। ছাত্র:.................লুঙ্গিতে আগুন লাগলে খুললে ও বিপদ, পরে থাকলে ও বিপদ#


৩০) তিনি টাকাটা ধার চাইলেন।

প্রেমিকঃ তোমার বাবার কাছে আমাদের বিয়ের প্রস্তাব রেখেছো?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা কি বললেন?
প্রেমিকাঃ তিনি জানতে চাইলেন, তোমার ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে।
প্রেমিকঃ কি বললে?
প্রেমিকাঃ যা সত্যি তাই বললাম,দু লাখ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা কি বললেন?
প্রেমিকাঃ তিনি টাকাটা ধার চাইলেন।

Post a Comment

0 Comments