বাংলা জোকস পর্ব ৯

bangla-jokes-part-9


১) চাপাবাজি - মিথ্যা বলতাম না

 রাস্তায় কিছু ছেলে ঝগড়া করছিল। একজনের হাতে একটা মুরগি। এক বয়স্ক লোক ওদিকেই আসছিলেন। তিনি ওদের সামনে এসে বললেন, 'কী ব্যাপার? এত জটলা কিসের?'
'আঙ্কেল, আমরা একটা প্রতিযোগিতা করছি। যে সবচেয়ে মজার মিথ্যা কথা বলতে পারবে তাকে এই মুরগি গিফট করা হবে।'
'ছিঃ ছিঃ!' একেবারে খেঁকিয়ে উঠলেন সেই বয়স্ক ভদ্রলোক। 'আমাদের সময় মিথ্যা কী জিনিস আমরা জানতাম না। প্রতিযোগিতা হতো ভালো ভালো জিনিস নিয়ে। এই যেমন সাঁতার কাঁটা, দৌড়ঝাঁপ- এই সব নিয়ে। যত বড় শাস্তিই হোক না কেন, আমরা তবু মিথ্যা বলতাম না।'
'এই পল্টু। আঙ্কেলকে মুরগিটা দিয়ে দে রে।'


২) বীরত্বের গল্প

তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প করছে।
প্রথম ইঁদুর: জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি।
দ্বিতীয় ইঁদুর: কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম। ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।
তৃতীয় ইঁদুর: তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি। বাড়ি ফিরে আবার পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে।


৩) বেচবার দরকার

 বুঝলি, আমি লক্ষপতি, তোর মতো লোককে এক হাটে কিনে অন্য হাটে বেচতে পারি। আমি ? কোটিপতি, তোর মতো মানুষকে কিনি, কিন্তু বেচবার দরকার হয় না।


৪) কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম

এক লোক অনেক চাপাবাজি করে। তো সে সঙ্গীত নিয়েও চাপাবাজি করছে। সে এই সঙ্গীত লিখেছে সেই সঙ্গীতের সুর দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তো তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিষয়ে কি জানো? জবাবে সে বললো, কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম আর তুমি বলো কি জানি!?


৫) সোনার হাতি

 ১ম বন্ধু : জানিস আমার দাদার বিশাল একটা স্বর্ণের পালঙ্ক ছিল।
২য় বন্ধু : তুই জানিস আমার দাদা একদিন একটা স্বর্ণের হাতি পেয়েছে, যা প্রতিদিন দুইটা করে স্বর্ণের পালঙ্ক দেয়।
১ম বন্ধু : তোর দাদা এই হাতি কোথায় পেয়েছে?
২য় বন্ধু : ক্যান, তোর দাদার পালঙ্কের নিচে।


৬) অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ

দুই অভিনেতা তাঁদের অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ করছেন ভক্তদের কাছে।
একজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয় করেছিলাম যে দর্শকরা কেদে কেটে বুক ভাসিয়ে দিয়েছিল।
অন্যজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয়ের পর দর্শকরা আমি মরে গেছি ভেবে খাটিয়া নিয়া হাজির হয়েছিল। শুধু কি তাই? ইনস্যুরেন্স কোম্পানি পর্যন্ত আমার বউকে পলিসি বাবদ সমস্ত পাওনা মিটিয়ে দিয়েছিল।


৭) সারা দিনের জন্য ছুটি

 এক বৃদ্ধ রেস্টুরেন্টের ভেতর ঢুকে ম্যানেজারকে বলল, আজ বিশ্বকাপের ফাইনাল, আমার নাতিটা ফুটবল খেলা খুব ভালোবাসে। ওকে যদি আজ বিকেলটা ছুটি দিতেন, তাহলে খুব ভালো হতো। আমরা দুজন একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতাম।
ম্যানেজার বলল, দুঃখিত, সেটা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। ও তো আপনাকে কবর দিতে সারা দিনের জন্য ছুটি নিয়ে গেছে।


৮) রঞ্জু মিয়া বড়ই কৃপণ

 রঞ্জু মিয়া বড়ই কৃপণ। একবার তিনি গেছেন কলা কিনতে।
রঞ্জু মিয়া: কি ভাই, এই ছোট্ট কলাটার দাম কত?
বিক্রেতা: তিন টাকা।
রঞ্জু মিয়া: দুই টাকায় দেবে কি না বলো?
বিক্রেতা: বলেন কি! কলার ছোকলার দামই তো দুই টাকা।
রঞ্জু মিয়া: এই নাও এক টাকা। ছোকলা রেখে আমাকে কলা দাও!


৯) একদম আমার নানীর মত

 রাস্তায় এক যুবতী হেটে যাচ্ছে। এক যুবক তার দিকে তাকিয়ে আছে। যুবতীটি যুবককে রললো
যুবতীঃ কি দেখছেন এইভাবে??
যুবকঃ আপনাকে।
যুবতীঃ শয়তান ছেলে!! এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? জীবনে কি কখনো মেয়ে নাই?? আপনার ঘরে কি মা বোন নাই??
যুবকঃ জ্বী মা বোন তো আছে কিন্তু নানী নাই। আপনি দেখতে একদম আমার নানীর মত


১০) হাত মিলাও , আমি তোমার বোনের স্বামী....

 বউ তার মাতাল স্বামীকে শোধরানোর জন্য কালো কাপড় পরে বাসার বাইরে দাড়িয়ে পরল.. . .
স্বামী : "তুমি কে.. ?? . .
বউ: "পেতনী.. . . . . . .
স্বামী : "হাত মিলাও , আমি তোমার বোনের স্বামী.... :


১১) প্রমাণ হলো যে আমার ব্রেইন আছে।

ডাক্তারঃ অনেক দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আপনার ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে।
মদনাঃ Yes!!
ডাক্তারঃ আমি যা বলেছি আপনি বুঝেছেন তো। আপনার ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে।
মদনাঃ সে জন্যেইতো খুশিতে লাফাচ্ছি। এতদিনে প্রমাণ হলো যে আমার ব্রেইন আছে।


১২) স্কুলে তোমার কেমন চলছে, খোকা?

 বাবা: স্কুলে তোমার কেমন চলছে, খোকা? লেখাপড়া কেমন হচ্ছে?
ছেলে: আচ্ছা বাবা, মাঝে মধ্যেই তুমি এ কথা জিজ্ঞেস করো কেন? আমি কি কখনো জিজ্ঞেস করি, তোমার অফিস কেমন হচ্ছে? প্রমোশন পেতে কত দিন লাগবে?


১৩) আমারো... তো একই অবস্থা…

২ জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু শামসু আর কাশেম রাস্তা দিয়া হাটতে হাটতে কথা বলছিলো__ হঠাত্ উলটো পাশ থেকে ২টা মেয়ে আসতে লাগলো___
কাশেম বললোঃ “সর্বনাশ_ দোস্ত !! সামনে দেখ__!! আমার বউ আর প্রেমিকা একসাথে এদিকে আসতাছে__”
জবাবে শামসু কইলোঃ “হায় হায় !! কস কি?? "আমারো... তো একই অবস্থা…!!"


১৪) ধূমপানের অপকারিতা

সেদিন ধূমপানের অপকারিতা সম্বন্ধে বক্তৃতা দিচ্ছে এক ভদ্রলোক।
- একটা সিগারেট মানুষের আয়ু আট দিন কমিয়ে ফেলে।
এক শ্রোতা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আপনার হিসাব ঠিক আছে তো?
- নিশ্চয়ই।
- তাহলে তো আমি আড়াইশ বছর আগেই মারা গেছি।


১৫) চার চাকার গাড়ি

সর্দারজি ট্রাফিক পুলিশের চাকরি নিয়েছেন। এক চালককে মাঝপথে আটক করলেন তিনি।
সর্দারজি: এই! তোমার হেলমেট কোথায়?
চালক: আরে বেকুব, ভালো করে দেখো।
সর্দারজি: ভালো করে দেখব আবার কী? স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তুমি হেলমেট পরোনি।
চালক: ওপরে নয়, নিচে দেখো। এটা দুই চাকা নয়, চার চাকার গাড়ি। গর্দভ!


১৬) জামাই হওয়ার উপায়

 Sosur : তো, তুমি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?
Jamai: আসলে ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য ভাবে জামাই হওয়ার উপায় থাকলে বলতে পারেন।


১৭) পুলিশে ভর্তি করিয়ে দেই।

এক পুলিশ অফিসার মোটেই আর্মি সহ্য করতে পারে না। আর্মির কাউকে দেখলেই সে চান্সে থাকে কিভাবে পচানো যায়। একদিন তার সামনে পড়লো আর্মির একসিপাহী। পুলিশ তখন বলল- কি হে , শুনলাম তোমরা যখন টানা কয়েক বছর বিদেশে থাকো, তারপর দেশে ফিরে দেখ তোমাদের বউ- এর কোলে নবজাতক সন্তান। সত্য নাকি ?
সিপাহী কিছু বলল না।
পুলিশ- তা তোমরা ঐ সব অবৈধ বাচ্চাগুলো নিয়ে কি করো ?
সিপাহীর উত্তর- কি আর করি, বড় হলে নিয়ে গিয়ে পুলিশে ভর্তি করিয়ে দেই।


১৮) গাড়ির কোন চাকা পাংচার হয়েছিল ??

 চার বন্ধু মিলে পরীক্ষা না দেওয়ার প্ল্যান করল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে- আগে পরীক্ষার হলে ঢুকে শিক্ষককে বলল, স্যার আমাদের গাড়ির চাকা পাংচার হইছিল। স্যার বললেন, সমস্যা নাই, তোদের পরীক্ষা হবে। ১টা প্রশ্ন দিচ্ছি,সময় ১০ মিনিট, চার জন চার রুমে বসে পরীক্ষা দিবি, উত্তর সঠিক হলে ১০০ পাবি। চারজনই খুব খুশি। চারজন চাররুমে গিয়ে বসল। স্যার এসে প্রশ্ন দিয়ে গেলেন ↓↓↓
গাড়ির কোন চাকা পাংচার হয়েছিল ??? মজা পাইলে ধুমায়া লাইক।


১৯) না পড়লে চরম মিসস

রোগী; ডাক্তার। সাহেব, চোখে বড় কম দেখতে পাই আজকাল। একটা ঔষুধ দেন তো শিগ্গির।
ডাক্তার: কেমন দেখেন? তা কিরকম?
রোগী: ওই যে মাঠের মধ্যে একটা কালো গরু দাঁড়িয়ে আছে, দেখতে পাচ্ছেন?
ডাক্তার: হে পাচ্ছি, কেনো?
রোগী; কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি না...:


২০) মফিজ গেছে সর্ট প্যান্ট

 মফিজ গেছে সর্ট প্যান্ট কিনতে
মফিজঃ সর্ট প্যান্ট দেখানতো?
দোকানদারঃ এই লন এটা ৫০ টাকা
মফিজঃ আরেকটু কম দামি নাই?
দোকানদারঃ এই লন এটা ২০ টাকা
মফিজঃ আরেকটু কম দামি দেন? ॥
দোকানদারঃ ভাই আপনার সর্ট প্যান্ট কিনা লাগবো না আপনি টাকা দিয়া একটা রুমান কিনে নিয়া যান ঐটা দিয়া কাম চালাইয়েন
হা হা হা হু হু হু


২১) কিরে এত দেরী হল কেন?

 দেরী করে স্কুলে এসে
শিক্ষক : কিরে এত দেরী হল কেন? স্কুল কয়টায় শুরু হয়?
বল্টু: স্যার , আমি তো আগেই বাইর হইছিলাম , আব্বা বলল গরুটারে চেয়ারম্যান বাড়ির ষাঁড়টার কাছে দিয়া আসতে ,তা দেরী হইয়া গেল।
শিক্ষক: তো এই কাজটা তোমার বাবা করতে পারল না?:-@
বল্টু: না স্যার , এইটা ষাঁড়েরই করা লাগে ।


২২) গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘন্টা ঘুরাইছিল

 জঙ্গলে এক সিংহ ঘুমের বিড়ি খাচ্ছিল তখন এক বানর এসে বলে : ভাই ,নেশা ছাইড়া দাও,আমার সাথে আসো -দেখো জঙ্গল কত সুন্দর ! সিংহ বানরের সাথে যেতে থাকলো ............ সামনে হাতি ইয়াবা নিচ্ছিল ...বানর হাতিকেও একইকথা বলল .... এরপর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করলো .... কিছুদুর এগিয়ে তারা দেখল --বাঘ বাংলা মদ খাচ্ছে ,বানর তখন তাকেও একই কথায় বলল সাথে সাথে বাঘ মদের গ্লাস নামিয়ে রেখে -- বানরকে দিল কইষা এক থাপ্পর হাতি বলল --বেচারাকে মারতছ কেন? বাঘ বলল --এই শালা কালকেও গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘন্টা ঘুরাইছিল


২৩) এগারো হয়

দুই আর তিনে কত হয় রফিক?
রফিক আঙুলে গুনে হিসাব করে বলল- পাঁচ, ম্যাডাম।
ম্যাডাম :- ছি রফিক, ক্লাস ওয়ানে পড় তুমি, তবু এই সহজ হিসাব আঙুলে গুনে করতে হয়?
পরদিন ম্যাডাম জিজ্ঞেস করলেন রফিককে- পাঁচ আর পাঁচে কত হয় রফিক?
পকেটে হাত ঢুকিয়ে রফিক উত্তর দিল- ম্যাডাম, এগারো হয়...!


২৪) পাশের বাড়ির লোকটা কত খারাপ,

 স্ত্রী : দেখেছো, পাশের বাড়ির লোকটা কত খারাপ, সাইকেল এর জন্য বউ টা কে বিক্রি করে দিয়েছে!! তুমি আমার সাথে এরকম করবে না তো?
স্বামী : মাথা খারাপ ?গাড়ী ছাড়া দিমুই না ।


২৫) কমিউনিটি সেন্টার

 একটা কমিউনিটি সেন্টারের অনুষ্ঠানে ১০০ জন লোকের খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু খাবার দিতে গিয়ে দেখা গেল প্রায় ২০০ জন লোক!! তখন অনুষ্ঠানের আয়োজক গিয়ে জিজ্ঞেস করলঃ আপনাদের মধ্যে বরপ ক্ষ কারা? ৩০-৪০ জন দাঁড়াল। এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কন্যাপক্ষ কারা? আরও ৩০-৪০ জন দাঁড়িয়ে গেল। তারপর তিনি হাসিমুখে বললেনঃ ''দয়া করে আপনারা বেরিয়ে যান, কারন এটা আমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান।''


২৬) হাতের উপর চাকু দিয়ে তারগার্লফ্রেন্ড এর নাম

এক ছেলে হাতের উপর চাকু দিয়ে তার গার্ল ফ্রেন্ড এর নাম লিখার পর জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করলো। কিন্তু কেনো? ব্যাথা করছে? নাহ নামের বানান ভুল করছে।


২৭) আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু কোন চিত্রকল্প না

 এক লোক টয়লেটে গিয়ে দেখলো , সেখানে লেখা , আপনে যত্ত বরো হেডামই হন নাক্যান, এখানে আইসা আপনারে প্যান্ট খুলতেই হবে, সো ভাব কম নেন ঠিকাছে ভা!!!!! লোকটা চরম লজ্জিত হয়ে অন্য টয়লেটে গিয়ে বসলেন । আরামসেকাজ চালাচ্ছেন , এমনসময় দেখলেন , সেখানে লেখা, ..এইযে ভাই , টয়লেট চেন্জ কইরা আসছেন ভাল , কিন্তু মনে রাখবেন , আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু কোন চিত্রকল্প না যে মানুষরে দেখানোর জন্য রেখ যাবেন । সো পরিমিত পানি ব্যবহার করুন , কিপ্টামি করবেন না , ঠিকাছে ভাআআআ!!!!!!


২৮) শালী আমারে থাপ্পড় মারছে

 লোলমফিজের বউ মফিজকে বলছেঃ "পাশের ফ্ল্যাটের আবুলকে দেখো; সে তার বউকে সবসময় কিস করে! তুমি করতে পারোনা???"
মফিজ উত্তরে বললঃ "বিশ্বাস করো, আমি চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু শালী আমারে থাপ্পড় মারছে"


২৯) তাইলে ঠিক মতই পালাইছি

 ক্রিং ক্রিং !!! বেজে উঠলো পাগলাগারদের টেলিফোনটা । রিসিপশনিস্ট মেয়েটা ফোন ধরে বললেন,'' হেল্লো ,কিভাবে সাহায্য করতে পারি? ওপাশ থেকে উত্তর দিল ,'' আপা , দেখেন তো রুম নাম্বার ৪৭ এ কেউ আছেনি ? মেয়েটা জবাব দিল ,'' জ্বিনা ,কেউ নাই ,আপনি কাকে চাচ্ছেন ? লোকটা আবার বলল ,'' দেখেন তো ভালো মত ,কেউ আছে কিনা ,সিউর হইয়া বলেন না প্লিজ মেয়েটা রুম নাম্বার ৪৭ এ গেল ,ভালমত দেখে এসে নললো ,''না রে ভাই,কেউ নাই... আপনি কাকে চাচ্ছেন ?অপরপ্রান্ত হতে উত্তর আসলো,'' যাক,তাইলে ঠিক মতই পালাইছি


৩০) ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!’

 বাবুর অফিসের কাজে মন বসে না। তার গা ম্যাজম্যাজ করে, বড়দের কৌতুক হয়ে থাকে। বস একদিন ডাকলেন তাকে। ‘শোনো, এভাবেতো চলবে না। তোমাকে চাঙা হতে হবে। আমারও এরকম হতো আগে। তখন কী করতাম জানো? লাঞ্চ আওয়ারে বাড়ি চলে যেতাম। তোমার ভাবীর হাতের মজার রান্না খেয়ে, ঘন্টাখানেক তাকে চুটিয়ে আদর সোহাগ করতাম … হে হে, বুঝতেই পারছো, কী বলতে চাইছি। এরপর থেকে আমি...... একদম চাঙা, কোন সমস্যা হয় না। তুমিও ওরকম একটা কিছু করে দেখো, ফল পাবে।’ হপ্তাখানেক পর বস দেখলেন, অফিসে বাবুর কাজ চলছে দারুণ। টেলিফোন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার নিয়ে দক্ষযজ্ঞ কান্ড একেবারে। বস হাসলেন, ‘কী মিয়া, পরামর্শ কাজে লাগলো?’ বাবু উৎফুল্ল গলায় বললো, ‘জ্বি স্যার, একে বারে হাতে হাতে। আর ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!’

Post a Comment

0 Comments